Capsule dosage form

Asta King

2 mg Capsule

Price Information

MRP
Pack 1 × 15 = 15's box ৳ 150.75
Per strip: ৳ 150.75
Per unit: ৳ 10.05
Advertisement

Astaxanthin হলো একটি চর্বি-দ্রবণীয় লাল-কমলা রঙের পিগমেন্ট, যা Xanthophyll Carotenoid গোত্রের অন্তর্গত। এটি বিভিন্ন অণুজীব ও সামুদ্রিক প্রাণীতে — যেমন চিংড়ি, লবস্টার, স্যামন মাছ ও মাইক্রোঅ্যালগায় — প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। এর শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রদাহবিরোধী এবং অ্যান্টি-অ্যাপোপটোটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

Astaxanthin কোষ ঝিল্লিতে বিশেষভাবে অবস্থান নিয়ে শরীরের ক্ষতিকর "ফ্রি র‍্যাডিকেল" ও প্রতিক্রিয়াশীল অক্সিজেন যৌগকে নিরপদ করে দেয়। এটি লিপিড ও গ্লুকোজ বিপাকেও ভূমিকা রাখে। 

Astaxanthin-এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা অন্যান্য ক্যারোটিনয়েড ও প্রচলিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চেয়ে অনেক বেশি — এটি ভিটামিন E-এর চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ বেশি কার্যকর। রাসায়নিক সংকেত: C₄₀H₅₂O₄। 

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো — এটি রক্ত-মস্তিষ্ক প্রতিবন্ধক (Blood-Brain Barrier) অতিক্রম করতে পারে, যার কারণে আলঝেইমার, পার্কিনসনসহ নানা স্নায়বিক রোগে এটি সুরক্ষামূলক ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শ্বেতরক্তকণিকা ও ন্যাচারাল কিলার সেল সক্রিয় করে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।
  • হৃদরোগ সুরক্ষা: হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
  • মস্তিষ্কের সুরক্ষা: স্নায়ুক্ষয়জনিত রোগে সুরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করে।
  • H. pylori ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ: পাকস্থলীর আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। 

ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে — পেশির ক্লান্তি কমাতে, সহনশক্তি বাড়াতে এবং ব্যায়ামের পর দ্রুত শরীর পুনরুদ্ধারে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সাধারণভাবে দৈনিক ৪–১২ mg ডোজ ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য স্বল্পমেয়াদী ব্যবহারে কিছু গবেষণায় ১৮–২৪ mg পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে। যেহেতু এটি চর্বি-দ্রবণীয়, তাই শোষণ ভালো হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।

Omega-3 সমৃদ্ধ তেল যেমন চিয়া সিড তেল, ফ্ল্যাক্সসিড তেল বা মাছের তেলের সাথে সেবনে এর জৈব-উপলভ্যতা (Bioavailability) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

⚠️ বাংলাদেশে পাওয়া যায় ২ mg ও ৪ mg ক্যাপসুল। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ডোজ নির্ধারণ করুন।

  • রক্তক্ষরণের সমস্যা (Bleeding Disorders)
  • ডায়াবেটিস — রক্তের শর্করা কমাতে পারে
  • অটোইমিউন রোগ যেমন লুপাস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
  • উচ্চ রক্তচাপ বা নিম্ন ক্যালসিয়ামের সমস্যা
  • অ্যাজমা বা হাঁপানি 

এটি রক্তচাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে — তাই যারা ইতোমধ্যে নিম্ন রক্তচাপে ভুগছেন তাদের সাবধান থাকা উচিত।

Astaxanthin সাধারণত বেশ নিরাপদ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। উচ্চ মাত্রায় সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো মলের রং কিছুটা লালচে হয়ে যাওয়া,

অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • পেটের সমস্যা: পেট ব্যথা
  • রক্তের সমস্যা: রক্তক্ষরণ, রক্তের শর্করা কমে যাওয়া, ক্যালসিয়াম কমে যাওয়া
  • হৃদযন্ত্র: রক্তচাপ কমে যাওয়া
  • হরমোন: যৌনশক্তি কমে যাওয়া, পুরুষের বুক বড় হয়ে যাওয়া (বিরল)
  • অ্যালার্জি: র‍্যাশ, চুলকানি বা শ্বাসকষ্ট (বিরল কিন্তু গুরুতর) 
  • অ্যালার্জি: Astaxanthin বা অন্যান্য ক্যারোটিনয়েডের প্রতি বা এর উৎস উদ্ভিদ Haematococcus pluvialis-এর প্রতি যাদের অ্যালার্জি আছে।
  • গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েরা — এই সময়ে ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। 

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপ্লিমেন্ট প্রজনন স্বাস্থ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে বলে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। তবে গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা গবেষণা না থাকায় এই সময়ে Astaxanthin না খাওয়াই ভালো। 

ইঁদুরের উপর গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় Astaxanthin সেবনে মা বা ভ্রূণের উপর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি। তবে মানবদেহে যথেষ্ট তথ্য না থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই সময়ে সেবন করা উচিত নয়।

রক্ত পাতলাকারী ওষুধ (Blood Thinners): Astaxanthin-এর সাথে একসাথে নিলে রক্তক্ষরণ ও কালশিটে পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। চিকিৎসক ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ (Statin): Astaxanthin কোলেস্টেরল মাত্রা প্রভাবিত করতে পারে — স্ট্যাটিন বা Omega-3 ফ্যাটি অ্যাসিডের সাথে মিলিয়ে নিলে প্রভাব বাড়তে পারে।

ইমিউনোসাপ্রেসেন্ট ওষুধ (যেমন adalimumab): একসাথে ব্যবহারে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ জরুরি। 

রক্তচাপের ওষুধ: Astaxanthin রক্তচাপ কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে — তাই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সাথে ব্যবহারে ডোজ সামঞ্জস্যের প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (যেমন ভিটামিন C, E): সাধারণত নিরাপদ, তবে একসাথে অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিপরীত ফলও দিতে পারে।

দৈনিক ৪৮ mg বা তার বেশি মাত্রায় সেবন করলে মল লালচে রং ধারণ করতে পারে — এটি ক্ষতিকর নয়, শুধু রঙের কারণে। ৫০ mg পর্যন্ত মাত্রা সহনীয় হিসেবে পরীক্ষিত হয়েছে। এর উপরের বিষক্রিয়ার সীমা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত হয়নি।

তবুও প্রয়োজনের বেশি সেবন করবেন না। যদি ভুলবশত অতিরিক্ত সেবন হয়ে যায় এবং অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।