Rabeprazole Sodium

Generic Drug 41 Brands
Advertisement

এটি একটি প্রোটন-পাম্প ইনহিবিটর (PPI) জাতীয় ওষুধ যা পাকস্থলীর প্রাচীরের কোষে অবস্থিত H+/K+ ATPase এনজাইমকে বাধা দেয়। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণের শেষ ধাপে কাজ করে বলে খুবই কার্যকর। ট্যাবলেটটি একটি বিশেষ এনটেরিক কোটেড প্রলেপ দেয়া থাকে যাতে এটি পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে নষ্ট না হয়ে সরাসরি ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে শোষিত হতে পারে

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম প্রধানত পাকস্থলী এবং অন্ত্রের বিভিন্ন অ্যাসিড-সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসায় এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনায় নির্দেশিত । নিচে এর প্রধান ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

ডিওডেনাল আলসার (Duodenal Ulcer)

ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ বা ডিওডেনামে সৃষ্ট আলসার নিরাময়ে র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম অত্যন্ত কার্যকর। এটি অ্যাসিড নিঃসরণ কমিয়ে ক্ষতের নিরাময় ত্বরান্বিত করে এবং ব্যথা কমায় । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪ সপ্তাহের চিকিৎসায় ডিওডেনাল আলসার সম্পূর্ণ নিরাময় হয় ।

বেনাইন গ্যাস্ট্রিক আলসার (Active Benign Gastric Ulcer)

পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণে সৃষ্ট ক্ষত বা গ্যাস্ট্রিক আলসার নিরাময়ে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি অ্যাসিডের আক্রমণ থেকে পাকস্থলীর আস্তরণকে রক্ষা করে এবং নিরাময় প্রক্রিয়াকে সহজতর করে । সাধারণত ৬ সপ্তাহের চিকিৎসায় রোগীরা সুস্থ হয়ে ওঠেন ।

গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)

পাকস্থলীর অ্যাসিড যখন উপরের দিকে খাদ্যনালীতে (esophagus) উঠে আসে, তখন তাকে GERD বলা হয়। এর ফলে বুকজ্বালা (heartburn) এবং খাদ্যনালীতে ক্ষত তৈরি হতে পারে। র‌্যাবিপ্রাজল এই অ্যাসিড রিফ্লাক্সের লক্ষণসমূহ দূর করে এবং খাদ্যনালীর প্রদাহ নিরাময় করে । এটি ইরোসিভ (erosive) এবং আলসারেটিভ (ulcerative) উভয় প্রকার GERD-এর চিকিৎসায় কার্যকর ।

জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম (Zollinger-Ellison Syndrome)

এটি একটি বিরল অবস্থা যেখানে পাকস্থলীতে অস্বাভাবিকভাবে অত্যধিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনায় উচ্চ মাত্রার র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম প্রয়োজন হয় ।

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (H. pylori) নির্মূল

পাকস্থলীর আলসারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো H. pylori নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। এই ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করতে র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়ামকে অ্যান্টিবায়োটিকের (যেমন অ্যামোক্সিসিলিন এবং ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন) সাথে সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হয় । একে "ট্রিপল থেরাপি" বলা হয় ।

নির্দেশনার তালিকাব্যবহারের ধরনডিওডেনাল আলসারস্বল্পমেয়াদী চিকিৎসা (৪ সপ্তাহ) গ্যাস্ট্রিক আলসারস্বল্পমেয়াদী চিকিৎসা (৬ সপ্তাহ) GERDউপসর্গ উপশম ও নিরাময় (৪-৮ সপ্তাহ) GERD রক্ষণাবেক্ষণদীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনা H. pylori নির্মূলসমন্বিত থেরাপি (৭-১৪ দিন) জোলিঙ্গার-এলিসনঅত্যধিক অ্যাসিড নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়ামের মাত্রা রোগীর রোগের ধরণ এবং তীব্রতার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। এটি সাধারণত দিনে একবার সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয় ।   

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সেবনমাত্রা

  • সক্রিয় ডিওডেনাল এবং গ্যাস্ট্রিক আলসার: ২০ মিগ্রা প্রতিদিন সকালে একবার। ডিওডেনাল আলসারের জন্য ৪ সপ্তাহ এবং গ্যাস্ট্রিক আলসারের জন্য ৬ সপ্তাহ চিকিৎসা প্রয়োজন ।   

  • ইরোসিভ GERD: ২০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত ।   

  • GERD রক্ষণাবেক্ষণ (Maintenance): দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থাপনার জন্য ১০ মিগ্রা বা ২০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, রোগীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ।   

  • উপসর্গযুক্ত GERD (Symptomatic): ১০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার সেবন করা যেতে পারে ।   

  • জোলিঙ্গার-এলিসন সিনড্রোম: শুরুর মাত্রা সাধারণত ৬০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার। প্রয়োজন অনুযায়ী এটি ১২০ মিগ্রা পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। ১০০ মিগ্রার বেশি মাত্রা হলে এটি দুইবার বিভক্ত মাত্রায় (যেমন ৬০ মিগ্রা দুইবার) সেবন করা উচিত ।   

  • H. pylori নির্মূল: ২০ মিগ্রা র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম দিনে দুইবার, সাথে ১০০০ মিগ্রা অ্যামোক্সিসিলিন এবং ৫০০ মিগ্রা ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন দিনে দুইবার। এই কোর্সটি সাধারণত ৭ দিন স্থায়ী হয় ।   

 শিশুদের জন্য সেবনমাত্রা (Pediatric Dosage)

১ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে GERD-এর চিকিৎসায় র‌্যাবিপ্রাজল ব্যবহৃত হতে পারে ।   

  • ১৫ কেজির নিচে ওজন: ৫ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত। প্রয়োজন হলে এটি ১০ মিগ্রা পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে ।   

  • ১৫ কেজি বা তার বেশি ওজন: ১০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার, ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত ।   

  • ১২ বছর বা তদুর্ধ্ব কিশোর: ২০ মিগ্রা প্রতিদিন একবার সেবন করতে পারে ।   

১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রমাণিত হয়নি ।   

প্রয়োগের নিয়মাবলী

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম ট্যাবলেটগুলো অবশ্যই সকালে খাবার আগে (empty stomach) সেবন করা উচিত । ট্যাবলেটটি সম্পূর্ণ এক গ্লাস পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এটি চিবানো, ভাঙা বা গুঁড়ো করা যাবে না, কারণ এর ফলে ওষুধের এন্টারিক কোটিং নষ্ট হয়ে যাবে এবং এটি পাকস্থলীর অ্যাসিডের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে ।

নির্দিষ্ট ডোজ ও ব্যবহারের সময়কাল সম্পর্কে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু শারীরিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন ।   

র‌্যাবিপ্রাজল ব্যবহারের ফলে পাকস্থলীর ক্যান্সারের লক্ষণগুলো চাপা পড়ে যেতে পারে । যদি ওষুধ সেবনের পরও রোগীর ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমতে থাকে, গিলতে সমস্যা হয় বা ক্রমাগত বমি হয়, তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে ম্যালিগন্যান্সির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে ।   

দীর্ঘদিন (১ বছরের বেশি) উচ্চ মাত্রায় প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর সেবন করলে অস্টিওপোরোসিস জনিত কারণে হাড় ভাঙার (কোমর, কবজি বা মেরুদণ্ড) ঝুঁকি বেড়ে যায় । বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি ।   

৩ মাস বা তার বেশি সময় ধরে র‌্যাবিপ্রাজল সেবন করলে রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। এর ফলে পেশীর খিঁচুনি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে ।   

টানা ৩ বছরের বেশি সময় ধরে এই ওষুধ সেবন করলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের অভাবে ভিটামিন বি১২ এর শোষণ ব্যাহত হতে পারে ।   

র‌্যাবিপ্রাজল ব্যবহারের ফলে বিরল ক্ষেত্রে অ্যাকিউট টিউবুলোন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস (Acute Tubulointerstitial Nephritis) হতে পারে, যা কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে । প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে বা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

বিপ্রাজল সোডিয়াম সাধারণত সুসহনীয় ঔষধ, তবে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে ।   

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Common Side Effects)

  • মাথাব্যথা (Headache)   
  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা   
  • পেটে ব্যথা এবং গ্যাস (Flatulence)   
  • কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation)   
  • বমি বমি ভাব এবং বমি   
  • গলা ব্যথা বা কাশি (Sore throat/Cough)   
  • মুখ গহ্বর শুষ্ক হয়ে যাওয়া   

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Serious Side Effects)

  • তীব্র অ্যালার্জি: মুখ, ঠোঁট বা জিহ্বা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট এবং হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়া ।   
  • Clostridium difficile ডায়রিয়া: এটি একটি গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ যা তীব্র পেটে ব্যথা এবং রক্তযুক্ত ডায়রিয়া তৈরি করতে পারে ।   
  • লিভারের সমস্যা: জন্ডিস বা লিভার এনজাইম বৃদ্ধি পাওয়া ।   
  • ত্বকের সমস্যা: লাল লাল ফুসকুড়ি, চুলকানি বা চামড়া উঠে যাওয়া (Stevens-Johnson syndrome) ।

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনির্দেশনা রয়েছে যা রোগীদের জানা জরুরি:

  • তীব্র সংবেদনশীলতা (Hypersensitivity): যদি কোনো রোগীর র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম বা এর অন্য কোনো উপাদানের প্রতি অ্যালার্জি থাকে, তবে এটি গ্রহণ করা নিষিদ্ধ ।   

  • অন্যান্য PPI-এর প্রতি অ্যালার্জি: ওমিপ্রাজল, ল্যানসোপ্রাজল বা প্যান্টোপ্রাজল জাতীয় ওষুধের প্রতি অ্যালার্জি থাকলেও র‌্যাবিপ্রাজল এড়িয়ে চলতে হবে ।   

  • রিলপিভাইরিন (Rilpivirine): এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত রিলপিভাইরিন জাতীয় ওষুধের সাথে র‌্যাবিপ্রাজল সেবন করা সম্পূর্ণ নিষেধ, কারণ এটি রক্তে ওই ওষুধের শোষণ কমিয়ে দেয় ।

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়ামের গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ।   

 গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

  • US FDA প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি: চিকিৎসকদের জন্য তৈরি তথ্য অনুযায়ী এটি ক্যাটাগরি 'C' এর অন্তর্ভুক্ত । এর অর্থ হলো প্রাণীদের ওপর গবেষণায় কিছু ঝুঁকি দেখা গেছে কিন্তু মানুষের ওপর পর্যাপ্ত তথ্য নেই।   

  • পরামর্শ: গর্ভাবস্থায় কেবল তখনই এটি ব্যবহার করা উচিত যখন এর উপকারিতা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি হবে । চিকিৎসক সরাসরি পরামর্শ না দিলে গর্ভাবস্থায় এটি সেবন করা উচিত নয় ।   

৭.২ স্তন্যদানকালে ব্যবহার

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি । তবে প্রাণীদের ওপর গবেষণায় এটি দুধে পাওয়া গেছে এবং এর ফলে নবজাতকের ওজন বৃদ্ধির হার কমতে দেখা গেছে । তাই স্তন্যদানকালে এই ওষুধ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। যদি ব্যবহার করতে হয়, তবে স্তন্যদান বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয় ।

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম পাকস্থলীর অম্লতা কমিয়ে দেওয়ার ফলে অন্য অনেক ওষুধের শোষণ ও কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে ।

ওষুধের নামবিক্রিয়ার ধরণপ্রভাবওয়ারফারিন (Warfarin)গুরুতররক্ত জমাট বাঁধার সময় পরিবর্তন হতে পারে এবং রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে কিটোকোনাজল/ইট্রাকোনাজলমধ্যমএই ছত্রাকবিরোধী ওষুধের শোষণ কমে যায় ডিজক্সিন (Digoxin)মধ্যমরক্তে ডিজক্সিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে মেথোট্রেক্সেট (Methotrexate)গুরুতরমেথোট্রেক্সেটের ঘনত্ব বাড়িয়ে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে ক্লোপিডোগ্রেল (Clopidogrel)মধ্যমক্লোপিডোগ্রেলের কার্যকারিতা আংশিক হ্রাস পেতে পারে আয়রন সাপ্লিমেন্টনিম্নঅ্যাসিড কমে যাওয়ার কারণে আয়রনের শোষণ কমে যায় 

অ্যালকোহল গ্রহণ পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে, তাই এটি এড়িয়ে চলা উচিত ।

র‌্যাবিপ্রাজল সোডিয়াম অতিরিক্ত মাত্রায় সেবন করলে মারাত্মক কোনো জটিলতা সচরাচর দেখা যায় না, তবে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে ।   

  • লক্ষণসমূহ: তীব্র পেট ব্যথা, বমি, মাথা ঘোরা, তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব এবং বিভ্রান্তি ।   

  • ব্যবস্থাপনা: এই ওষুধের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক (Antidote) নেই । এটি রক্তে প্রোটিনের সাথে শক্তভাবে যুক্ত থাকে, তাই ডায়ালাইসিস করে এটি শরীর থেকে বের করা সম্ভব নয় । অতিরিক্ত মাত্রা সেবনের ক্ষেত্রে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা এবং চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন ।  

Advertisement